লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ
পিতার বাড়ী থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণের হার এনে দিতে টানা তিন দিন ধরে স্বামী ও ভাসুরসহ গৃহবধূকে পাশবিক নির্যাতন। খবর পেয়ে উদ্ধার করতে এলে ওই গৃহবধূর মা ও ভাইকে স্বামীসহ পরিবারের লোকজন বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে রাস্তায় এনে পিটাতে পিটাতে পাশ্বর্তী ডোবায় ফেলে গৃহবধূর ভাই সবুজকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ। এ ঘটনায় বাদী হয়ে লক্ষীপুর সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ করেন নির্যাতিত গৃহবধু রত্মা।
সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুরের চররমনী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রত্মার স্বামীর বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। রত্মার ভাই সবুজ, মা শাহিদা আক্তার তাকে দেখতে স্বামীর বাড়ীতে আসলে দিনভর দফায় দফায় চলে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারধরের ঘটনা। ওইদিন বিকেলে তারা বাড়ী চলে যাওয়ার মূহুর্তে আবারও ঘটে মারপিট। স্থানীয়রা এসে রত্মা, সবুজ ও শাহিদা আক্তারকে উদ্ধার করে। পরে তারা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেয়।
রত্নার দায়েরকৃত অভিযোগের বিবাদীরা হলেন, নির্যাতিত গৃহবধূর স্বামী রাজন, ভাসুর সুমন কসাই, শ্বাশুড়ী সোহাগী বেগম ও সুমন কসাইর স্ত্রী কহিনুর বেগম। তারা সবাই চররমনী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। একই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে রত্মার পিতার বাড়ী অবস্থিত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্যাতিত গৃহবধূর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে রাজনের সাথে রত্মার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের সময় রত্মার বাবা তাকে একভরি ওজনের একটি স্বর্ণের হার ও তার স্বামীকে ৫টি স্বর্ণের আংটি দেয়। আংটি গুলো বিক্রির পর স্বর্ণের হারটিও বিক্রি করতে এবং শ্বশুর বাড়ী থেকে নগদ টাকা এনে দিতে রত্মাকে শারিরীক নির্যাতন করত পাচন্ড স্বামী রাজন ও পরিবারের অপর সদস্যরা।
ঘটনায় বিষয়ে জানতে বাড়ীতে অভিযুক্ত কাউকে বাড়ীতে পাওয়া যায়নি।